মঙ্গলবার   ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   মাঘ ২৮ ১৪৩২   ২২ শা'বান ১৪৪৭

ফ্ল্যাট পেল ওসমান হাদির পরিবার, চাবি-দলিল হস্তান্তর

তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত : ০৩:৩৭ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

পুরোনো ছবি

পুরোনো ছবি

 

রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের তৈরি রেডি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হাদির পরিবারকে হস্তান্তর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানটি মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শরিফ ওসমান হাদির স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম।

 

হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা ফেসবুকে লিখেছেন:

“ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় এক পক্ষ এখনো সরকারের মধ্যে, যারা হাসিনার দোসর। যা-ই হোক আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না, পরে বুঝতে পেরেছি, ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা। আমি তাঁকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তাঁর হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত তিনি যাবেন হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে।”

 

তিনি আরও লিখেছেন:

“আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে, তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য করেছেন, অনেক শুকরিয়া। তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়ে, এরপরেই আমি ওখান থেকে এসেছি।”

 

ফ্ল্যাট হস্তান্তরের মাধ্যমে পরিবারকে স্থায়ী বাসস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হলেও, রাবেয়া ইসলাম শম্পার বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে, স্বামীর হত্যার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রতিশ্রুতির দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।