তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নই হবে আমাদের প্রধান কাজ: তারেক
তরুণ কণ্ঠ অনলাইন
প্রকাশিত : ০৪:৩৯ পিএম, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার
নীলফামারীতে নির্বাচনি জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগ্রহীত
নীলফামারীসহ উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ‘তিস্তা ব্যারাজ মহাপরিকল্পনা’ দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারীতে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে এই অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে তিস্তা প্রকল্পই হবে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই জনসভায় তারেক রহমান তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একগুচ্ছ রূপরেখা তুলে ধরেন।
তিস্তা নদী নিয়ে উত্তরবঙ্গবাসীর হাহাকার নিরসনের আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন:
“এই এলাকার মানুষের একটি প্রাণের দাবি আছে তা হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা। ১২ তারিখ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। যাতে এই এলাকা এবার সবুজ, শস্য-শ্যামলা হয়ে উঠতে পারে।”
পাশাপাশি নীলফামারীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর শিল্পাঞ্চলসহ রেল কারখানার আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
স্থানীয় শ্রমবাজার ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপের কথা জানান তিনি:
-
ইপিজেড সম্প্রসারণ: নীলফামারী ইপিজেডকে আরও বড় করে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
-
দক্ষ জনশক্তি: তরুণদের কারিগরি প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
-
ধর্মীয় গুরুদের সম্মাননা: মসজিদ-মাদ্রাসার ইমাম, খতিব এবং অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।
তারেক রহমান সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন:
“আমরা প্রত্যেক নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। এর মাধ্যমে প্রত্যেক মা সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাবেন। এছাড়া কৃষকদের জন্য আমরা কৃষি কার্ড পৌঁছে দেব যাতে তারা সহজে কৃষিজাত পণ্য ও সহায়তা পেতে পারেন।”
নির্বাচনী পরিবেশে কোনো ধরনের বাধা বরদাশত করা হবে না জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন:
“এই এলাকার মানুষ যাতে ভোট দিতে না পারে তাই ভয় দেখানো হচ্ছে। যারা ভয় দেখাবে, অন্যায় করা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ভোট দিয়ে দেশ গঠনের যাত্রা শুরু করবে, কারণ “আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ।”
