তিতুমীর কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা, তিতুমীর কলেজ
প্রকাশিত : ০৭:১৩ পিএম, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার
সরকারি তিতুমীর কলেজে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬। কলেজের ২২টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কলেজ মাঠে সমাপনী ইভেন্ট ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
গত ২২ জানুয়ারি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য পৃথকভাবে বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থী বিভাগে ছেলেদের ও মেয়েদের জন্য ১০০ মিটার, ২০০ মিটার ও ৪০০ মিটার দৌড়, দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফ, চাকতি নিক্ষেপ ও গোলক নিক্ষেপসহ একাধিক ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া শিক্ষক ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণেও নির্ধারিত ইভেন্ট সমূহ আয়োজন করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের শুরুতে কলেজ মাঠে বর্ণাঢ্য প্যারেড মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিতুমীর কলেজ বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটসহ কলেজের ২২টি বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দীন আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলিয়া আক্তার এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক এম এম আতিকুজ্জামান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলেয়া আক্তার বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যপুস্তক ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। সুস্থ শরীর, দৃঢ় মনোবল ও সহনশীল মানসিকতা গড়ে তুলতে নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলকে শুভেচ্ছা জানাই।
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব গুণ ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি এ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
