জমে উঠেছে কুমিল্লা -২ এ নির্বাচনী প্রচারণা
তিতাস প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৮:২৪ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার
জমে উঠেছে কুমিল্লা - ২ হোমনা তিতাস আসনের নির্বাচনী প্রচারণা। সারা দেশে ধানের শীষের গনজোয়ার পরিলক্ষিত হলেও ব্যাতিক্রম এই কুমিল্লা- ২ আসনের বাস্তব চিত্র। এ আসনে গন জোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সচিব ইন্জিনিয়ার আঃ মতিন খানের পক্ষে।উক্ত আসনের হোমনা তিতাস দু'টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরজমিন ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানাগেছে, কুমিল্লা - ২ এই আসনটি মূলতঃ বিএনপির দূর্গ, কিন্তু এবারের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে দল চরম ভাবে একটা ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বহিরাগত এবং বিতর্কিত একজন ব্যক্তিকে মনোনয়ন প্রদান করায় এ আসনে বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের আশংকা রয়েছে। এ এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ মনে করছে বিএনপি প্রার্থী বাছাইয়ে এলাকার জনগনের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়। সঠিক জরিপ ও তথ্য চিত্রকে গোপন এবং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা- ২ এর ধানের শীষের মনোনয়ন প্রদান করা হয়। যার ফলে এলাকাবাসী সম্মিলিত ভাবে তাদের স্থানীয় ও নিজের এলাকার ছেলে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এ পি এস, প্রাক্তন সচিব, জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ আমলা ইন্জিনিয়ার আঃ মতিন খান কে তারা তাদের এমপি নির্বাচিত করে জাতীয় সংসদে পাঠাতে ঐক্য বদ্ধ। উক্ত আসনে নির্বাচনী হাওয়া অত্যন্ত উত্তপ্ত। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকে নির্বাচনী প্রচারনার প্রথম দিন থেকেই হোমনার শ্রীমদ্দীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ মতিন খান এবং তার নেতা কর্মী সমর্থকদের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীরা স্বসস্র হামলা ও গাড়ী ভাংচুর এবং এর কয়েকদিন পর নিলুখীতে প্রচারের মাইক ও সিএনজি অটোরিকশা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলেঅভিযোগ রয়েছে। ২২তারিখে শ্রীমদ্দীর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ২৮ তারিখ হোমনা থানায় ২১৫ জন বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। হোমনা থানা মামলা নং১২ তাং ২৮,/ ১/২০২৬.।বিরামহীনভাবে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ কারী সকল দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা। তিতাস এবং হোমনার বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভা ও জনসভায় সরজমিন উপস্থিত থেকে দেখাযায়, এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন বন্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সচিব ইন্জিনিয়ার আঃ মতিন খান এর একেকটা পথসভা একেকটা জনসভায় পরিনত হয়ে যাচ্ছে। দিন দিন বেড়েই চলেছে মতিন খানের কর্মী সমর্থক। মতিন খানের তালা মার্কারপক্ষে সৃষ্টি হচ্ছে গনজোয়ার। এই গনজোয়ারের কারন অনুসন্ধানে জানাযায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ মতিন খান স্থানীয়, সাবেক সচিব, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এ পি এস, তার চাকুরী জীবনের প্রথম থেকেই কুমিল্লার এই আসনের জনমানুষের কল্যানে দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত জড়িয়ে আছেন, মরহুম এমকে আনোয়ার ও ড,মেশাররফ হোসেনের সাথে হোমনা তিতাসের উন্নয়নের দায়িত্ব পালন করেন, অত্র এলাকার হাজারো যুবকের কর্ম সংস্থান,বদলী, পুষ্টিং সহ নানা ধরনের সমস্যার সমাধান কল্পে একনিষ্ঠতা, সৎ,বিনয়ী ও সর্বোপরী সর্বদা পরোপকারী ও জনহিতকর একজন মানুষ হিসেবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে আঃ মতিন খানের। দীর্ঘদিন যাবত এলাকার মানুষের সুখে দুঃখের সাথে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন এই সাবেক আমলা। আঃ মতিন খান এলাকার অভিভাবক নয় তিনি সেবক হয়ে সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এমকে আনোয়ার এর এলাকার উন্নয়নে অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চান বলে তাঁর বিভিন্ন সভা সমাবেশের বক্তব্যের মাধ্যম জানা যায়। এই আসনটি মূলতঃ বিএনপির দূই প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রী বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য মরহুম এমকে আনোয়ার ও ড, খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর ঘাঁটি। বিগত দিনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনেও মরহুম এমকে আনোয়ার এর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এই আসনে বহিরাগত প্রার্থী কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার ( বহিরাগত)কেও এই এলাকার জনগন ব্যালটের মাধ্যমে অত্যান্ত ন্যসাক্কারজনকভাবে প্রতিহত করে তাকে এ আসন থেকে বিতারিত করেছিল। আসন্ন সংসদ নির্বাচনেও তারই পুনরাবৃত্তি ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার কারন হিসাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক গন তাদের মনতব্যে বলেন, বিএনপির প্রার্থী সেলিম ভুইয়া বহিরাগত হওয়ায় এবং তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতি, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃস্টির ব্যাপক অভিযোগ থাকা আর তিতাস ও হোমনা উপজেলার বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ পদের নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তারসাথে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির সভা সমাবেশে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের নির্বাচনে ভোট কেটেফেলার হুমকি,অন্যান্য দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়াসহ বিভিন্ন ঔদ্বত্য পূ্র্ন বক্তব্য ও হুমকিধামকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হায়। এমতাবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে এই আসনের শান্তি প্রিয় মানুষ। জনগন তাদের মাতৃভূমি সন্ত্রাসীদের হাতথেকে রক্ষা ও তাদের মান সম্মান ও অস্তিত্ব রক্ষায় এ আসনের জনমানুষ শান্তির পক্ষে আর অশান্তির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছে বলে তারা ১২ তারিখ নির্বাচনে অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট প্রধানের মাধ্যমে তারা তাদের পছন্দের মানুষ টিকে তাদের মাতৃভূমির উন্নয়ন ও নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে চায় বলে সরজমিনে বহু মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায়। এ এলাকার মানুষ ইতিমধ্যে বুঝতে সক্ষম হয়েছে যে, কার কাছে এই জনপদ নিরাপদ। আর তারা এমন নিরাপদ ব্যক্তির হাতেই তাদের প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব অর্পন করবে বলে এলকার সর্বস্তরের জনগণ আজ ঐক্য বদ্ধ বলে প্রতিয়মান।
