৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
তরুণ কণ্ঠ অনলাইন
প্রকাশিত : ১১:৪৪ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার
দেশের আর্থিক খাতে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ৯টি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬টিকে স্থায়ীভাবে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন্ধের তালিকায় থাকা ৬ প্রতিষ্ঠান: ১. ফাঁস ফাইন্যান্স ২. প্রিমিয়ার লিজিং ৩. ফারইস্ট ফাইন্যান্স ৪. অ্যাভিভা ফাইন্যান্স ৫. পিপলস লিজিং ৬. ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
৩ প্রতিষ্ঠানকে সময় দান: জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স এবং বিআইএফসি-কে তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
কেন এই সিদ্ধান্ত? কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। বিশেষ করে প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার সংশ্লিষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠান থেকেই অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর ধরে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হচ্ছিল।
আমানতকারীরা কবে টাকা পাবেন? গভর্নর জানিয়েছেন, রুগ্ণ এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত পর্যায়ের আমানতকারীরা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে (রমজানের আগে) তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। সরকার এ লক্ষ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা কেবল তাদের জমানো মূল টাকা পাবেন, কোনো লভ্যাংশ বা সুদ দেওয়া হবে না।
