রোববার   ২৫ জানুয়ারি ২০২৬   মাঘ ১২ ১৪৩২   ০৬ শা'বান ১৪৪৭

নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিনে যেকোনো সহিংসতায় আ.লীগকে দায়ী করা হবে

তরুণকণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত : ০৭:০৪ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার

 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের দিন যে কোনো ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে “নির্বাচন বানচালে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি” রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটি গভীর উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “নয়াদিল্লিতে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন।”

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান।”

 

সরকার মনে করছে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন “আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।” বিবৃতিতে এটিকে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি স্পষ্ট অবমাননা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য এটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

এছাড়া সরকার জানিয়েছে, “আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

বিবৃতিতে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, “দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উলটো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।”