খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা বলছে ইরানি দূতাবাস
তরুণকণ্ঠ অনলাইন
প্রকাশিত : ০৩:২৭ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। দেশের বিভিন্ন শহরে অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব ও ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নামে। এ পরিস্থিতিতে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে ভারতের ইরানি দূতাবাস এই খবর সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিক্ষোভ তীব্র হলে এবং নিরাপত্তা বাহিনী সরকারী নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে, পরিবারের প্রায় ২০ জন ঘনিষ্ঠ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন ৮৬ বছর বয়সি খামেনি। এছাড়া সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোও উল্লেখ করা হয়।
ভারতের ইরানি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, এসব দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
দূতাবাসের বক্তব্যে বলা হয়, ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ চলাকালেও খামেনি দেশ ছাড়েননি। তাই বর্তমান বিক্ষোভের কারণে তিনি পালিয়ে যাচ্ছেন, এমন খবর পুরোপুরি অসত্য। দূতাবাস এটিকে ‘শত্রু রাষ্ট্রগুলোর ছড়ানো অপপ্রচার’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।
ইরানের ভেতরকার পরিস্থিতি নিয়ে এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কয়েকজন ইরানি নাগরিক। তারা বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি সত্যিই একটি বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি কমুক।’ তবে তারা স্পষ্ট করেছেন, তারা খামেনির বিরোধী নন।
এই ইরানি নাগরিকদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছেন, তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক এবং বিদেশি শক্তির ঘনিষ্ঠ।
এদিকে কোম শহরের ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জামির জাফরি বলেন, খামেনি সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। যা প্রমাণ করে তিনি সক্রিয়ভাবেই দায়িত্ব পালন করছেন।
