শুক্রবার   ০২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৯ ১৪৩২   ১৩ রজব ১৪৪৭

এনইআইআর চালু হলেও প্রথম ৯০ দিনে অবৈধ ফোন বন্ধ হবেনা

তরুণকণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত : ০৪:৪৭ পিএম, ২ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার

দেশের মোবাইল বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার হওয়া প্রতিটি ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হবে, ফলে চোরাই ও অবৈধ ফোন শনাক্ত করা সহজ হবে।

 

তবে এনইআইআর কার্যকর হওয়ার পরও কিছু ব্যবহারকারী বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। অনেকের এনআইডির বিপরীতে অনেক ফোন রেজিস্ট্রেশন দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

 

তিনি জানিয়েছেন, "এনইআইআর চালুর পরেও আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না। সুতরাং বিনীতভাবে অনুরোধ করছি কেউ প্যানিকড হবেন না"।

 

ফয়েজ তৈয়্যব জানান, অনেক ফোন সচল দেখানোর কারণ হচ্ছে অপারেটরদের কাছ থেকে প্রায় তিন বিলিয়নের বেশি ডেটা সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে হিস্টোরিক ডেটা দেখাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে ব্যাকগ্রাউন্ডে আর্কাইভ করা হবে এবং শুধুমাত্র বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেট প্রদর্শিত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, "শুরুর দিকে টেকনিক্যাল প্লাটফর্মে এ ধরনের কিছু জটিল ইস্যু দেখা দিবে, আমরা এসব সলভ করব"। এই সিস্টেমটি নতুন নয়, ২০২১ সালে প্রথম চালুর চেষ্টা করা হয়েছিল। এখন কিছু ফাংশনাল ফিচার বাড়িয়ে পুনরায় সচল করা হয়েছে।

 

ফয়েজ তৈয়্যব জানিয়েছেন, একজন ব্যক্তির একটি এনআইডির বিপরীতে আগে সর্বোচ্চ ২০টি, পরে ১৫টি, এখন ১০টি সিম ব্যবহার করা যাবে। এতে হিস্টোরিক ডেটার কারণে এনআইডির বিপরীতে অনেক হ্যান্ডসেট দেখা যায়।

 

তিনি বলেন, "এর মাধ্যমে সমাজের সচেতনতা তৈরি হবে। ব্যক্তি জানতে পারবেন তার এনআইডির বিপরীতে কত সিম ব্যবহার হয়েছে, কত ডিভাইস যুক্ত হয়েছে এবং মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত আর্থিক অপরাধ হয়েছে কিনা। এটি নাগরিক অধিকার"।

 

ডাটাবেজ নিরাপত্তার জন্য ডিজিটাল টোকেন JWT ব্যবহার করা হয়েছে, রেট লিমিট করা হয়েছে, এবং এনআইডি-ভিত্তিক API নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ১৩, ১৭ ও ১০ ডিজিট এনআইডির তিনটি ম্যাপিং করা আছে।