সেনাবাহিনী থেকে গণমাধ্যম, সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন তারেক রহমান
নাজমুল হুদা
প্রকাশিত : ১০:১০ এএম, ১ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়কে একটি ‘ঐতিহাসিক বিদায়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তাঁর বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই বিদায় অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করার পেছনে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
তারেক রহমান তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন যে, তাঁর জীবনের এই গভীর শোকের মুহূর্তে মায়ের শেষ বিদায়টি যথাযথ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে কেবল সংশ্লিষ্টদের পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধের কারণে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি লেখেন, “আপনারা শুধু শৃঙ্খলা বজায় রাখেননি, শোকময় পরিবেশেও মানবিকতার উদাহরণ দেখিয়েছেন।” স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা থেকে শুরু করে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও এপিবিএন-এর সদস্যদের ধৈর্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আপনাদের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিরাপদে একত্রিত হতে পেরেছে।ডিজিএফআই, এনএসআই এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের সতর্কতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
তারেক রহমান তাঁর পোস্টে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি অন্তরের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “জাতীয় শোকের এই কঠিন সময়ে তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে প্রতিটি মুহূর্তে শান্তি ও যত্ন বজায় রাখতে সাহায্য করেছেন, যা আমাদের পরিবারের জন্য অমূল্য সমর্থন।”
এছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, তথ্য, আইন এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সমন্বয়ের কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বিদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে দেশের সীমানার বাইরেও তাঁর মায়ের প্রতি কতটা গভীর সম্মান ছিল।
পাশাপাশি, কয়েক বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত বিশাল জনসমুদ্রের সংবাদ ও ছবি সারা বিশ্বে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের প্রতিও তিনি বিশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তারেক রহমান তাঁর পোস্ট শেষ করেন এই বলে— “আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই; প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে। গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা দেখিয়েছেন, তা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে। আলহামদুলিল্লাহ।”
