বৃহস্পতিবার   ০১ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৮ ১৪৩২   ১২ রজব ১৪৪৭

পঞ্চগড়ে চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনায় আটক- ২

আরমান পঞ্চগড়

প্রকাশিত : ০৭:৫০ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ সোমবার

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থানার যোগীগছ গ্রামের কামরুল ইসলামকে খুনের ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পঞ্চগড় জেলা পুলিশ। এর আগে গত (২৩-জানুুয়ারি) ২০২৩ ইং তারিখে ভিকটিম কামরুল ইসলাম (৩৫) নিখোঁজ হলে তার ছোট ভাই কাবুল হাসান তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। সাধারণ ডায়েরীর ৩ ঘণ্টার মধ্যেই তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ দেবনগর ইউনিয়নের একটি চা বাগানের ড্রেন হতে ভিকটিম কামরুল ইসলামকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। ঘটনা স্থলে ফেলে যাওয়া আলামতের ভিত্তিতে পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার জনাব এস.এম. সিরাজুল হুদা, পিপিএম এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব কনক কুমার দাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে  এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মো: রকিবুল ইসলামের সার্বিক সহযোগিতায় তেঁতুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আবু সাঈদ চৌধুরীর  নেতৃত্বে একটি টিম দিদার আলীকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ভিকটিমের চাচা সাইফুল ইসলাম। ভিকটিমকে হত্যার জন্য ১০ হাজার টাকায় তাকে ভাড়া করা হয়। দিদার আলীর তথ্যের ভিত্তিতে এসআই আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে একটি টিম (২৯- জানুয়ারি) ২০২৩ইং তারিখে দিবাগত রাত ৪.৩০ মিনিটে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলামকে  ঠাকুরগাঁও জেলাধীন বালিয়াডাঙ্গী বাংলাদেশ—ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম জানায়, তার আপন ভাতিজা ভিকটিম কামরুলের সাথে অনেক আগে থেকে জমি—জমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ'কে কেন্দ্র করে এক ধরণের প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা মাথায় আসে। সে মোতাবেক দিদার ও নজিবুল নামক দুই ব্যাক্তিকে ১০ হাজার টাকায় ভাড়া করা করে। হত্যার সঙ্গে জড়িত নজিবুল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। পুলিশ সুপার এস.এম. সিরাজুল হুদা, পিপিএম ঘটনার বিবরণ প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের সামনে তুলে বলেন, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। অন্যান্য আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে। হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও জরিত দুইজনকে আটকের পর পঞ্চগড় জেলা পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জেলার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়রা বলেন, অপরাধী যেই হোকনা কেন আইনের উর্ধে কেউ নয় সেটা পঞ্চগড় জেলা পুলিশ প্রমাণ করে দিয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন সকলেই।