কৃষকরা
মেহেরপুরে আফেল কুল চাষে স্বাবলম্বী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ০৩:১৪ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ রোববার
মেহেরপুর প্রতিনিধি: হাইব্রিড যাতের বল সন্দুরী আফেল কুল
চাষ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ায় মেহেরপুরে বাণিজ্যিকভাবে
চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির কুল।স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে
রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলাতে সরবরাহ করা হচ্ছে এ
কুল।এবার উৎ্ধসঢ়;পাদনও বাম্পার হয়েছে বলে জানান চাষীরা।স্বল্প সময়ের
অধিক লাভজনক এ ফসলটি চাষে কৃষকদের মধ্যে খুবই আগ্রহ
বাড়ছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
মেহেরপুরের গাংনীতে বাউ,নারিকেল,বিলেতিও আপেলকুলসহ
বিভিন্ন প্রকার কুলের সুনাম রয়েছে দেশে।
বর্তমানে হাইব্রিড জাতের কুল চাষ স্বল্প খরচ, ঝুঁকি কম থাকায়
এবং বেশি লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলায় শিক্ষিত ও বেকার যুবকেরা
কুল চাষের দিকে এগিয়ে আসছেন।কুল চাষ করে অনেকেই তাদের
ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে।দূর করেছে বেকারত্ব,সৃষ্টি করেছে
নতুন কর্মসংস্থানের।এ উপজেলা ২৬০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ
হয়েছে।
গাংনী দেবীপুর গ্রামের কুল চাষী সাইদ হোসেন তিনি ২ একর
জমিতে বিভিন্ন যাতের হাইব্রিড কুল চাষ করেছনে তিনি বলে
সব থেকে বেশি চাষ করেছেন বল সুন্দরী অফেল কুল প্রথম দিকে
পরীক্ষামূলক ভাবে ১ একর জমিতে সব খরচ বাদ দিয়ে তার ২লক্ষ টাকা
লাভ হয়েছিল। তাই চলতি মৌসুমে ২একর জমিতে কুল চাষ
করেছেন।
একই কথা জানালেন গাংনী পৌর শহরের আজিজুল হক রানু
জানান,পরী¶ামূলভাবে ৩বিঘা জমিতে বল সুন্দরী আফেল কুলের চাষ
শুরু করেন।চলতি মৌসুমে পরী¶ামূলক হলেও প্রথম বছরে সব খরচ
বাদ দিয়ে তার ২লক্ষ টাকা লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন।বল
সুন্দরী আফেল কুলের চাষ করছেন।বিঘা প্রতি ১০০ থেকে ১২০ মন
কুল পাবেন বলে জানান তিনি।
মুজবিনগর উপজেলা মুনা খালি গ্রামের কুল চাষি জানান,গেল
বছর ২ বিঘা জমিতে বল সন্দুরী আফেল কুলের বাগান
করেছেন।চলতি মাসে তিনি ৪০ কেজি কুল বাজার যাত করেছেন
বর্তমান বাজারে ৬৫ টাকা দরে কুল বিক্রয় হচ্ছে।তবে পরিপুন্ন
ভাবে কুল ভাঙ্গা শুরু হয়নি।তিনি আশা করছেন বাজারে কুলের
ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
মেহেরপুর জেলা কৃষি অফিসার ডাঃ সংকর কুমার মজুমদার
জানান,এবারে প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৮ টন কুল উৎপাদনের সম্ভাবনা
রয়েছে বলে আশা করছেন তিনি আরও বলেন কুল চাষ করে এ জেলার বহু
বেকার যুবক ও চাষীরা তাদের বেকারত্ব দূর করে নিজেদের ভাগ্যের
পরিবর্তন ঘটিয়েছে।স্বাবলম্বী হয়েছে অনেক পরিবার।গত বছর এ
উপজেলায় ১৬০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করা হলেও চলতি মৌসুমে তা
বেড়ে ২৬০ হেক্টরে দাড়িয়েছে।চাষিদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ
দেয়া হচ্ছে।
