শুক্রবার   ০২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৮ ১৪৩২   ১৩ রজব ১৪৪৭

৫০০ মৃত মুরগি বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরা খেলেন  মুরগি ব্যবসায়ী

শামীম শরীফ

প্রকাশিত : ১২:৪৩ পিএম, ৫ জানুয়ারি ২০২৩ বৃহস্পতিবার

আমাদের সমাজে একশ্রেণীর মানুষ আছে যারা অর্থের কাছে নিজের বিবেক বুদ্ধি বিকিয়ে দেয়, এই জাতীয় মানুষ মনে করে জীবনে টাকা পয়সা ধন সম্পত্তি সব।

আর এই অর্থের জন্য মাগুরা পুরাতন বাজার মুরগি ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ রেজাউল ইসলাম গোপনে ৫০০ মৃত মুরগি জবাই করে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করে দেয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে প্রশাসনের কাছে।

 

মৃত মুরগিগুলোর ওজন কমপক্ষে সাড়ে ৪০০ কেজি। যা পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী শহরের বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহের জন্য প্রস্তত করা হচ্ছিল।

 

বুধবার (৪ঠা জানুয়ারি) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। এসময় মৃত মুরগিগুলো জব্দ করা হয়।

 

 

মাগুরা পৌরসভার কসাইখানার পরিদর্শক রিয়াজ খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন শহরের পুরাতন বাজারে ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম মৃত মুরগি বিক্রি করছেন।

 

 এ সময় তিনি ও পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামানসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান রফিকুল ইসলাম মরা মুরগি জবাই করছেন। 

 

এমত অবস্থায় জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করেন।                                                                                      

মাগুরা পৌরসভার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো. কামরুজ্জামান বলেন, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা নিয়মিত বাজার পরিদর্শন করে আসছি।

 

বেশ কিছুদিন ধরে রফিকুল ইসলাম নামে এক মুরগি ব্যবসায়ী জেলার বাইরে থেকে মরা মুরগি ক্রয় করে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করে আসছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তার দোকানে বুধবার সকালে অভিযান চালানো হয় এবং ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। 

 

এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের ম্যাজিস্টেটকে খবর দেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আসার আগেই অভিযুক্ত ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পালিয়ে যান। তবে ছেলে মো. রেজাউল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।    

                                   

জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট অভিদাস শিকদার বলেন, সাড়ে ৪০০ কেজি ওজনের ৫০০ মৃত মুরগি জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পালিয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ঘটনাস্থলে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা বলেন শুধু বাজার নয় বিভিন্ন হোটেল পরিদর্শন করে দেখতে হবে এই জাতীয় নেককারজনক ঘটনা যেন আর না ঘটে।