শুক্রবার   ০২ জানুয়ারি ২০২৬   পৌষ ১৯ ১৪৩২   ১৩ রজব ১৪৪৭

মানিকগঞ্জে নিখোঁজের ৯ দিন পর স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আরিফুর রহমান অরি

প্রকাশিত : ১১:৪৭ এএম, ১ জানুয়ারি ২০২৩ রোববার

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নিখোঁজের  ৯দিন পর মোঃ সাগর হোসেন (১৪) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
দৌলতপুর উপজেলার ছোট শ্যামপুর গ্রামের মোঃ মামুদ আলীর ছেলে মোঃ সাগর হোসেন। চরমাস্তুল মুন্সি বন্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাএ ছিলেন তিনি ।
আজ শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) নিহত সাগরের পিতা মো: মামুদ আলী বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামীরা হলো- দৌলতপুর উপজেলার ছোট শ্যামপুর এলাকার শায়নালের স্ত্রী মোছা: শেফালী বেগম (৪০), ঘিওর উপজেলার বড়বিলা এলাকার ইকবালের স্ত্রী ও শায়নালের মেয়ে মোছা: রিমা বেগম (২২) এবং ইকরামের ছেলে ও শায়নালের মেয়ের জামাতা ইকবাল (২৮)।
উল্লেখ্য, মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, বিবাদীগণ দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রকাশ্যে বাদীকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল।
এরই জেরে গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে বাদীর মেঝো ছেলে মো: সাগর শেখ (১৫) নিজ বাড়ি থেকে অটো-রিক্সা নিয়া ঘিওরের তেরশ্রী গ্রামের বিজয় মেলার যাওয়ার সময় বিবাদীগন অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সহযোগীতায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে যোগসাজশে বাদীর ছেলেকে হত্যা করে। পরে সেই লাশ গুম করার জন্য পারমাস্তুল নদীর পাড়ে বালুর মধ্যে পুঁতে রাখে খুনিরা।
দৌলতপুর থানার ওসি মোঃ জাকারিয়া হোসেন জানান, গত ২১ডিসেম্বর রাতে সাগর নিখোঁজ হয়। তাকে না পেয়ে ২২ ডিসেম্বর থানায় জিডি করে তার পরিবার। পরে অনেক খোঁজাখুজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। গতকাল বিকেলে দৌলতপুর উপজেলার খলশী ইউনিয়নের পারমাস্তুল নদীর পাড়ে  স্থানীয়রা সাগরের মৃতদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশে খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।