দেশে বেড়েছে গরু-ছাগলের সংখ্যা, কমেছে আবাদি জমি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১০:১০ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ বুধবার
গেল এক দশকে দেশে বেড়েছে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগীর সংখ্যা। তবে কমেছে আবাদি জমির পরিমাণ। মঙ্গলবার রাজধানীর পরিসংখ্যান ব্যুারোর অডিটরিয়ামে কৃষি শুমারি-২০১৯ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে এ তথ্য। এর আগে ২০০৮ সালে কৃষি শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারো-বিবিএস।
কৃষি শুমারি-২০১৯ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, দেশে মোট গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৯৪ লাখ ৫২ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ ৭৮ হাজার। আর ছাগলের সংখ্যা বর্তমানে ১ কোটি ৯৪ লাখ ৪৪ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ১ কোটি ৬৩ লাখ ১৮ হাজার।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে ১০ বছরে গরু, মহিষ, ছাগল ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ শুমারিতে মোট মোরগ-মুরগীর সংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৯ কোটি ৯৪ লাখ ৩ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ৯ কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজার। হাঁসের সংখ্যা বর্তমানে ৭ কোটি ৪৪ লাখ ৯৩ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার।
জরিপে আরও বলা হয়, এই সময়ে দেশে মোট আবাদি জমি কমেছে শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ। এ সময়ে অস্থায়ী ফসলের জমি কমেছে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ। এর মধ্যে আউশ চাষের জমি ২৪ লাখ একর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি এ সময় প্রয়োজনীয় শুমারি ২ বছর পর পর করার আহ্বান জানান।
পরিকল্পনামন্ত্রী বরেন, ১০ বছরের পার্থক্য নিয়ে শুমারি করা হলে প্রকৃত তথ্য উঠে আসে না। এজন্য প্রতি দুই বছর পর পর শুমারি করা প্রয়োজন।
এদিকে, এক দশক পর কৃষি শুমারি করা হলেও এতে কৃষকের সংখ্যার কোনো তথ্য নেই।
এবার ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত পরিসংখ্যান নিয়ে নতুন শুমারি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। খানা জরিপ ভিত্তিক এই শুমারিতে জমির মালিকানা, জমির ধরণ ও ব্যবহার, ফসল, কৃষিতে কর্মসংস্থান, কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রাণিসম্পদের তথ্য উঠে আসে
