দুদক কী ব্যবস্থা নিয়েছে জানতে চান হাইকোর্ট
তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১০:১৬ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০২২ বুধবার
‘জনস্বার্থে’ অবসরে পাঠানো সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দুদককে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সিনিয়র আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।
আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম।
গত ১৬ আগস্ট তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেনকে ‘জনস্বার্থে’ অবসরে পাঠায় সরকার। পরদিন একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ‘অর্থ কেলেঙ্কারিতে চাকরি হারালেন সচিব মকবুল’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ বিষয়ে আদেশ দেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে মকবুলের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও একজন শীর্ষ ক্রীড়া সংগঠকের যোগসাজশ রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি।
আরও পড়ুন: তথ্য সচিব মকবুল হোসেনকে অবসরে পাঠালো সরকার
আদালতের আদেশের বিষয়ে খুরশীদ আলম বলেন, পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে এটা স্পষ্ট যে মকবুল হোসেনকে দুর্নীতির শাস্তি হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। সরকার তাকে প্রাসঙ্গিক আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে তাকে আগাম অবসরে পাঠানোর জন্য সরকার কোনো কারণ দেখাতে বাধ্য নয়।
তিনি বলেন, আমি হাইকোর্টের প্রশ্ন সম্পর্কে দুদককে জানাবো ও ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চে সাবেক সচিব মকবুল হোসেনের আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করবেন।
