শুধুমাত্র পার্বত্যাঞ্চলেই নয় নীলফামারীতেও হচ্ছে বানিজ্যিকভাবে চা
মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৪:৪৯ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ বুধবার
কিন্তু এসব ছাপিয়ে এখন চা চাষে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষীচাপ ইউনিয়নের আমিরুল ইসলাম। পরীক্ষামূলকভাবে চা চাষে আমিরুল সফলতা পাওয়ায় নতুন করে চা চাষে স্বপ্ন দেখছেন এলাকার মানুষ।
চা চাষি আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি ৮ বিঘাতে ২ হাজার চারা গাছ রোপণ করি এবং মাসে প্রতি বিঘায় ২০০০ টাকা খরচ হয়। ৪৫ দিন অন্তর অন্তর ৩ হাজার কেজি চা পাতা বিক্রি করি যার বাজার মূল্য প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আমার বাগানে ১০ থেকে ১৫ জন পুরুষ ও মহিলা কাজ করে। পরিক্ষামূলকভাবে চা চাষ করে আমি লাভবান হই। এখন আমি ধীরে ধীরে চা চাষের পরিধি বাড়াচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, কৃষি অফিস বা সরকার যদি সুদৃষ্টি দিত তাহলে আমরা আরও উপকৃত হতাম।মানুষ চা চাষ করলে লাভবান হতে পারবে যদি চা চাষে সঠিক নিয়ম ও প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ চা বোর্ডের নর্দান বাংলাদেশ প্রজেক্টের প্রকৌশলী জানান, এই এলাকার মাটি চা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। জেলার প্রায় সব উপজেলায় বিষবৃক্ষ তামাকের চাষ হত এখন তামাকের পরিবর্তে আবাদ হচ্ছে চা।
নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কামরুল হাসান বলেন, এই এলাকার ভূমি সমতল হওয়ার কারণে চায়ের চাষ কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তুলনামূলকভাবে চা চাষে পরিচর্যা কম এবং আয় বেশি পাশাপাশি রোগ বালাইয়ের আক্রমণও অনেকগুন কম হওয়ায় চা চাষে দিনদিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহার বলেন, এই অঞ্চলে চা চাষের ফলে শতাধিক অসহায় দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া তামাক চাষের বিকল্প হিসেবে চা চাষের জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
