রোববার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২   আশ্বিন ১০ ১৪২৯   ২৮ সফর ১৪৪৪

চমেক হাসপাতালে যুব রেড ক্রিসেন্টের ২০০ স্বেচ্ছাসেবী

নিজস্ব প্রতিবেদক  

প্রকাশিত : ০৪:০৩ পিএম, ৬ জুন ২০২২ সোমবার

দীর্ঘ প্রায় ৪০ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি শুরু থেকে কাজ করছে যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা। ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত রোগীদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়তা করছে সংগঠনটি।
সোমবার (৬ জুন) দুপুরে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামের যুব প্রধান গাজী মু. ইফতেখার হোসেন ইমু জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শনিবার রাতে আগুন লাগার পর রাত ১১টা থেকে যুব রেড ক্রিসেন্টের ভলান্টিয়াররা কাজ করছেন। তারা ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে থেকে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছেন। এছাড়া চমেক হাসপাতালের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে দগ্ধ রোগীদের শুশ্রুষাও দিচ্ছেন তারা।

গাজী মু. ইফতেখার আরও জানান, যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রায় দুইশো ভলান্টিয়ার চমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে এ সহায়তা কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবা অব্যাহত থাকবে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অগ্নিদগ্ধদের সবশেষ অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগুনে পোড়া রোগীদের শরীরে জ্বালা-যন্ত্রণা করে। রোগীদের জন্য ওয়ার্ডগুলোতে প্রচুর বৈদ্যুতিক পাখা প্রয়োজন। কিছু পাখা ব্যক্তিপর্যায় থেকে দেওয়া হয়েছে। দ্বগ্ধ রোগীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ব্যবস্থা করা গেলে ভালো হয়।

শনিবার দিনগত রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে লাগা আগুন সোমবার (৬ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টা পর্যন্তও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কাজ করছে রোভার স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৯ জন নিহতের তথ্য রোববার রাতে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াছ চৌধুরী। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে আহত চার শতাধিক মানুষের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিসকর্মী ও পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান এবং সুষ্ঠু তদন্তে পৃথক কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।ডিফেন্স।