মঙ্গলবার   ০৫ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ২০ ১৪২৯   ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

বৈষম্যবিরোধী আইন অনুমোদন পেল মন্ত্রিসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদক    

প্রকাশিত : ০৫:৫৭ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২২ সোমবার

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, অনেকগুলো আন্তর্জাতিক কনভেনশনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে সব রকমের বৈষম্য নিরসন করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৈষম্য দূরীকরণের বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। সেই আলোকে এই আইন নিয়ে আসা হয়েছে।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইনের আলোকে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে যেমন- জাতীয়, বিভাগীয় এবং জেলা বা যে পর্যায় পর্যন্ত সরকার চায়। তারা মনিটর করবে হিউম্যান রাইটসের কোনো ভায়েলেশন (মানবাধিকার লঙ্ঘণ) হচ্ছে কিনা। এখানে একজন সভাপতি থাকবেন। আইনমন্ত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং লেজিসলেটিং বিভাগের একজন যুগ্মসচিব সেটার সদস্য সচিব হবেন। এভাবে নিচের দিকে যতগুলো প্রশাসনিক ইউনিট আছে সেখানে সরকার যে রকম প্রয়োজন মনে করবে সে রকম কমিটি করে দেবে। বিভিন্ন সময়ে সভাপতি সময় নির্দিষ্ট করে মনিটরিং মিটিং করবেন।

 

বৈষম্যবিরোধী একটা সেল গঠন করা হবে। যে সেল বৈষম্যবিরোধী কার্যাবলী প্রতিরোধ এবং তাৎক্ষণিক প্রতিকার দেওয়ার জন্য বৈষম্যবিরোধী জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা কমিটিসহ অন্যান্য কমিটি গঠন করবে। তারা জনগণের মধ্যে একটা সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে যে, কোনোভাবেই কোনো রকমের বৈষম্য করা যাবে না।

 

তিনি আরও বলেন, যদি কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করে তাহলে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা কমিটি ঘটনা তদন্ত করবে। জেলা কমিটি প্রতিকার দিতে ব্যর্থ হলে অভিযোগকারী বিভাগীয় কমিটির কাছে অভিযোগ দায়েরের ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত করবে। বিভাগীয় কমিটি ব্যর্থ হলে ৪৫ দিন পরে জাতীয় কমিটি তদন্ত করে অ্যাকশন নেবে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করলে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা ডিসপোজাল করতে হবে। যদি ৯০ দিনের মধ্যে না পারে তাহলে সর্বোচ্চ ১৫ দিন বৃদ্ধি করে সেই মামলা শেষ করে দিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইনে একটি বিধি করার কথা বলা হয়েছে। সেই বিধি অনুযায়ী বৈষম্যের বিষয়গুলো হ্যান্ডেল করা হবে।