বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯   ১২ মুহররম ১৪৪৪

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৭০২

মাগুরায় সাংবাদিককে নিউজ করায় জীবন নাশের হুমকি

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের সত্যপুর গ্রামের তহমিনা খাতুন (৪৫) পিং- মৃত মোজাহার মন্ডল, তহমিনার মেয়ে শর্মিলা খাতুন (১৩) গত ৫ মাস যাবৎ ঢাকা থেকে নিখোঁজ। এই শর্মিলার নিখোঁজের সংবাদ দৈনিক কালান্তর, সাপ্তাহিক বর্জ্যকলম ও বিভিন্ন নিউজ অনলাইন পোর্টাল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরই সূত্র ধরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ১২.০২ মিনিটের সময় মোবাইল ফোনে আসামী মোঃ হাফিজ মন্ডল (৭০) পিং- মৃত মোঃ জয়নাল মন্ডল সত্যপুর সাংবাদিককে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের জন্য জীবননাশের হুমকি প্রদান করেন। এই শর্মিলা খাতুনের সত্য ঘটনাটি সত্যপুর এলাকাবাসীর মানুষ অবগত। তারপরও আসামী কোন শক্তির দ্বারা সাংবাদিকদের জীবন নাশের হুমকি দেয় এটায় প্রশাসনের সুদৃষ্ট বিচার কামনায় সাংবাদিকগণ।

মূল ঘটনা, হাফিজ মন্ডল সত্যপুর গ্রামের তহমিনা খাতুন কে প্রস্তাব দেয়, তোমার মেয়ে শর্মিলাকে আমাকে দাও আমি তোমার মেয়েকে ঢাকাতে আমার শালিকার বাড়িতে রাখিবো। সেখানে তোমার মেয়ে ভালো থাকিবে। এরপর তহমিনা খাতুন হাফিজ মন্ডলের কথায় বিশ্বাস করে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করিয়া মেয়েকে ঢাকাতে পাঠাইতে রাজী হয়। কিন্তু হঠাৎ করে তহমিনাকে না জানিয়ে হাফিজ মন্ডল শর্মিলাকে নিয়ে ঢাকায় তার শালিকার বাসায় দিয়ে আসে। এরপর কিছু দিন পর হাফিজ মন্ডলের নিকট শর্মিলার খোঁজ খবর জানতে চাইলে, হাফিজ মন্ডল বলে শর্মিলা ভালো আছে এবং সুখে আছে। পরবর্তীতে ৩ মাস পর হাফিজ মন্ডলের খোঁজ খবর নিলে জানায় তাহার শালিকা স্বপরিবারে আমেরিকায় চলিয়া গিয়াছে  এবং শর্মিলা খাতুনকে, তার মেয়ে লিপি খাতুনের বাসায় মিরপুর ১২, ঢাকাতে রাখিয়া গিয়াছে। এরপর লিপি ফোন করে তহমিনার সাথে শর্মিলার ফোনে কথা বলানোর সপ্তাহ যেতে না যেতেই হাফিজ মন্ডল তহমিনা খাতুনকে বলে, তোর মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তহমিনা এ কথা শোনার পর মানসিক ভাবে বির্পযস্ত হয়ে পড়ে এবং হাফিজ মন্ডলকে মেয়েকে আনিয়া দিতে বলে। একপর্যায়ে হাফিজ মন্ডল রাগান্বিত হয়ে তহমিনাকে জানায় তোর মেয়েকে আমি আনিয়া দিতে পারিব না। 

তহমিনা খাতুন ০৪/০৯/২১ তারিখে মাগুরা সদর থানায় এজাহার বা মামলা দায়ের করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ করিতে অস্বীকার করে। এরপর তহমিনা খাতুন মোকাম মাগুরার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল p ২৫৮/২১ মামলাটি দায়ের করলে মাগুরা কোর্ট মামলাটি রেকর্ড করতে মাগুরা থানার অফিসার ইনচার্জকে আদেশ প্রদান করেন। তহমিনার বক্তব্য,  অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়া প্রতারণামূলক ভাবে ফুসলাইয়া নাবালিকা শর্মিলাকে আমার বাড়ি থেকে অপহরণ করিয়া লইয়া গেছে এবং তাহাকে পতিতাবৃত্তি বা বেআইনী উদ্দেশ্য বা নীতি বিবর্জিত কাজে কোথাও বিক্রি বা বিদেশে পাচার অথবা খুন করিয়া লাশ গুম করিয়াছে। সাংবাদিকগণ, এই মামলার বিষয়ে মুঠোফোনে মাগুরা সদর থানার ওসি জয়নাল আবেদীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, p ২৫৮/২১ মামলাটি  রেকর্ড করা হয়েছে কিন্তু মামলার এস আই বা দারোগা কে এটা সে বলেন নাই।
 

এই বিভাগের আরো খবর