মঙ্গলবার   ২১ মে ২০১৯   জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৬   ১৬ রমজান ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন রুমিন ফারহানা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের আন্দোলন স্থগিত অভিমান থেকে পদত্যাগের কথা বলেছিলাম: গোলাম রাব্বানী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী শাওনের আত্মহত্যা হাতে বালিশ নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ কাজের গতি বাড়াতে মন্ত্রিসভায় পুনর্বিন্যাস : সেতুমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ব্রাজিলে বন্দুক হামলায় ১১ জন নিহত বুথফেরত জরিপ বিশ্বাস করি না: মমতা বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহায়তা অব্যাহত থাকবে
১১৪

স্মার্টফোন আসক্তিতে হতাশা ও উদ্বেগের সৃষ্টি!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর ২০১৮  

যেসব কিশোর-কিশোরী স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছেন তাদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রেডিওলজির অধ্যাপক ইয়ুং সুকের নেতৃত্বে একদল গবেষক কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে এর প্রমাণ পান।

সিউলের কোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ১৫ থেকে ১৬ বছরের ফোন বা ইন্টারনেটে আসক্ত ১৯ জন কিশোরের ওপর পরীক্ষাটি করেন। তাদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, তারা যে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তা তাদের দৈনন্দিন জীবনে কী প্রভাব ফেলে?

নিয়ন্ত্রিত দলে আরো ১৯ কিশোরের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। যারা একেবারেই দরকার না হলে ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। এই কিশোরদের তুলনায় আসক্তরা হতাশা, অবসাদ, উদ্বেগ, অনিদ্রা, অস্থিরতার অভিযোগ বেশি করেছিল।

পরীক্ষায় গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্কের ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি ছবি তুলেছিলেন। যার মাধ্যমে মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

বিজ্ঞানীরা বিশেষ করে কিশোরদের গামা অ্যামিনোবাটাইরিক অ্যাসিড বা জিএবিএ’র পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। জিএবিএ মস্তিষ্কের এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার। যা মস্তিষ্কের বার্তাগুলোর গতিকে ধীর করে দেয়। এ ছাড়া জিএবিএ দৃষ্টিশক্তি, আচরণ, মস্তিষ্কের আরো অন্যান্য বিষয়ের উপর প্রভাব ফেলে।

পরীক্ষায় স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটে আসক্ত কিশোরদের মস্তিষ্কে উচ্চমাত্রায় জিএবিএ এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, চিকিৎসার মাধ্যমে আসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব।

এই বিভাগের আরো খবর