শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
২৪ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ দু’চার দিনের মধ্যে ওষুধ আসছে : কাদের ‘ডেঙ্গু নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকার ব্যর্থ’ ক্ষমা চাইলেন মেয়র আতিকুল রাজধানীর ২৪ হাটে পশু বেচাকেনা শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৫৩ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্ধ ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার দেশের চতূর্থ মানব রোবট তৈরি করলো কুবি শিক্ষার্থীরা
৬৭৮

সুযোগ পেলে দেশের জন্য কিছু করতে চায় প্রতিভাবান ক্রিকেটার মারুফ 

রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯  

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পড়ে থাকা দক্ষ খেলোয়াড় মোঃ মারুফ। পেশ বলার হিসেবে তার ক্ষ্যাতি। প্রতিভাবান এই খেলোয়াড় মধ্যবিত্ত পরিবারের হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছে প্রশিক্ষণ নিতে। এরই মধ্যে কয়েকটি ক্লাবে খেলে বেশ ক্ষ্যাতি অর্জন করেছে মোঃ মারফ।মারুফ খেলোয়াড় হিসেবে ভালই খেলে থাকে।তিনি একজন পেশ বোলার।বোলার হিসেবে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলে সাফল্য অর্জন করেছেন । সুনামের সহিত উত্তির্ন হয়েছেন। একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার হয়েও মফসলে থাকায় নজরে নাই বিসিবির। মারুফ প্রতি দিন দোকানে কাজ করে ভাড়া জোগাড় করে ৪০ কিমি রাস্তা পাড়ি দিয়ে প্রাকটিসে যায়।মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মারুফ। ছোট থেকে খেলাধুলা করার অনেক শখ।২০১২ সালে একটি এ্যাকাডেমিতে ভর্তি হয় তিনি। ২০১৪ সালে অনু:১৮ রাজশাহীর হয়ে চান্স পায়।কিন্তু দুঃখের বিষয় মেডিক্যালে বাদ পড়ে যায়।কারণ পা ফুলে গিয়েছিল সে সময়।২০১৫-১৬ সিজনে তিনি ঢাকা দ্বিতীয় বিভাগ লীগ খেলে। সেখান থেকেই তাঁর ক্রিকেট জিবন শুরু। সব সময় নিউজল্যান্ডের ট্রেন্ড বোল্ট এবং পাকিস্তানি বোলার মো:আমির কে ফলো করে মারুফ।
তাদের মতোই বল করতে পারে। ইন সুইং আউট সুইং দুই ধরনের বল করতে পারে মারুফ।বোলার হিসেবে কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন,
লিটন দাস আমাকে নিয়মিত বল করে যেতে বলেছেন। কারন লিটন দাস ভাই আমার অনেক বল খেলেছেন। কোন বল কে চার্জ করতে পারেননি। রাজশাহী থেকে ৪০ কিমি দুরে আমার বাড়ি। গোদাগাড়ী থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে রাজশাহির একটি এ্যাকাডেমিতে প্রাকটিস করতাম। বৈকালি সংঘ ওই ক্লাবের প্রধান কোচ নুরুজ্জামান নুরুল স্যার আমাকে অনেক সাহায্য করেছে আমি প্রতিদিন ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে যেতাম তাই আমার কাছে মাসিক বেতন নিতেন না। তিনি আমাকে বুজতেন।আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।
এখন আমি যেমন ইন সুইং আউট সুইং বল করতে পারি। বিসিবি  যদি আমাকে এখন থেকে সাহায্য করে তাহলে আমি ২-৩ বছরের মধ্য বাংলাদেশ টিম কে সার্ভিস দিতে পারবো ইনসাল্লাহ।
আমি দেশ বাসির কাছে দুয়া চাই আমি যেন বাংলাদেশ কে কিছু দিতে পারি।
আর ক্রিকেট বিশ্বকে দেখাতে পারি। নতুন বলার হিসেবে আমি দেশবাসীকে  দেখাতে চাই।তাই আমি সবার কাছে দুয়া চাইছি। 


 

এই বিভাগের আরো খবর