ব্রেকিং:
একে একে ১৩টি কফিন নিলো পরিবার তাপমাত্রা একদফা কমে বিদায় নেবে শীত

শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯   চৈত্র ৮ ১৪২৫   ১৫ রজব ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই মেক্সিকোতে জ্বালানি পাইপলাইনে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ স্বাস্থ্যখাতের মাফিয়া ডন মিঠু! সংরক্ষিত মহিলা আসনে লাকসামের রিনা আলম আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অনিয়মে শাস্তি পেল ৩৭ হজ এজেন্সি প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতাদের নামে ফেসবুক খুলে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ ২৭ জানুয়ারি থেকে মোবাইল ফোনের সাত দিনের নিচের সব প্যাকেজ বন্ধ
২৩০

সিম কার্ডের মতো হ্যান্ডসেটও নিবন্ধন করতে হবে

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০১৯  

মোবাইলের সিম কার্ডের মত হ্যান্ডসেটও নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)।

মোবাইল ফোন কেন্দ্রিক অপরাধ কমাতে এবং হ্যান্ডসেট চুরি, অবৈধ আমদানি ও নকল হ্যান্ডসেট বিক্রিও বন্ধে এমন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। খবর বিবিসি বাংলার

বিটিআরসি স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বিবিসিকে জানান, এতে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা যাবে। গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে। মোবাইল ফোনের হিসাব রাখা যাবে। সবশেষে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশে যে হ্যান্ডসেটগুলো বৈধভাবে আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে যে মোবাইলগুলো অ্যাসেমব্লিং করা হচ্ছে বা উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর ১৫ ডিজিটের স্বতন্ত্র আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি বৈধ ফোনের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। এতে মানুষ যখন মোবাইল ফোন কিনতে যাবেন তখন তারা সেই সেটটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে জানতে পারবেন যে তাদের সেটটি বৈধ নাকি অবৈধ।

এছাড়া বিটিআরসি তাদের ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (ইআইআর) খসড়া নির্দেশনা- ইআইআর তৈরি করবে। যার আওতায় দেশের প্রতিটি সক্রিয় সেটকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

এরই মধ্যে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির ইআইআর যাচাই করে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ২৪ পাতার একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিটিআরসি। প্রতিবেদনটি যাচাইয়ের জন্য মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সেখানে যদি কোন সংশোধনের প্রয়োজন তাহলে সেটা সম্পন্ন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রতিবেদনটি বিটিআরসির কমিশনে পাঠানো হবে। খসড়া নির্দেশনাটিকে চূড়ান্ত হলে প্রত্যেক অপারেটরকে তাদের নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা প্রতিটি সক্রিয় হ্যান্ড-সেটের ডাটাবেজ তৈরির সময় বেঁধে দেয়া হবে।

প্রথম পর্যায়ে গ্রাহকদের হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য কোথাও যেতে হবেনা। নিজেদের নিবন্ধিত সিমটি সেটে সক্রিয় করলেই সেটটি ওই নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

ওই সেটে যদি দ্বিতীয় সিম ব্যবহার করতে হয় তাহলে সেটাও অবশ্যই একই নামে নিবন্ধিত সিম হতে হবে। এছাড়া কারও যদি একাধিক সেট থাকে তাহলে তিনি দ্বিতীয় সেটটিতে যে নামের সিমটি সক্রিয় করবেন, সেই নামেই সেটটি নিবন্ধিত হয়ে যাবে। তখন ওই সেটে অন্য নামের কোন সিম চলবেনা। অর্থাৎ একটি সেট একজনের নামেই নিবন্ধিত হবে। এভাবে একেকটি অপারেটরের আলাদা ডাটাবেজ সম্পন্ন হবে।

এই বিভাগের আরো খবর