শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
১১৩

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

অবিরাম বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা-ধরলাসহ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অপরিবর্তিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে এখনো পানিবন্দী রয়েছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বরও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চন্ডিমারী, দক্ষিণ বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীর তীরবর্তী প্রায় ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও বন্যার্তরা জানিয়েছেন তা প্রয়াজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার পানিবন্দী মানুষজন পরিবার-পরিজন এবং গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এসব মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম।

এ ছাড়াও খাদ্যাভাব, বিশুদ্ধ পানি এবং নানা সঙ্কটে পড়েছেন এসব মানুষ। বন্যা দুর্গত এলাকার ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেয়া হয়েছে। আমরা বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করছি।

এই বিভাগের আরো খবর