রোববার   ২১ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ সোমালিয়ায় হোটেলে জঙ্গি হামলায় সাংবাদিকসহ নিহত ৭ জামালপুরে ‘মাথা নেওয়ার গুজবে’ যুবক গ্রেপ্তার সিলেট–সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আসামে বন্যায় আক্রান্ত ৮ লাখ মানুষ, নিহত ৬ কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ২
১৬১

রাগে-ক্ষোভে পুরস্কার নিলেন না মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০১৯  

সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে হেরে আগেই কোপা আমেরিকা শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল আর্জেন্টিনার। সেই ম্যাচে রেফারির পক্ষপাতিত্বের শিকার হয়েছিলেন আলবিসেলেস্তেরা। তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচ খেলতে নেমেও একরাশ হতাশা উপহার পেলেন তারা!

এ লড়াইয়েও রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের ফাঁদে পড়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নরা। যদিও চিলিকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০১৯ কোপার সেরা তিন নম্বর দলের খেতাব জিতেছেন তারা। ব্রাজিলের সাও পাওলোয় শনিবার স্থানীয় সময় বিকালে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা-চিলি। তৃতীয় জায়গা নির্ধারণী ম্যাচ হলেও সূচনালগ্ন থেকেই বারবার বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন দুদলের খেলোয়াড়রা। স্বাভাবিকভাবেই খেলায় ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ে। শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল।

এমনই এক ঘটনায় ৩৭ মিনিটে লালকার্ড দেখেন লিওনেল মেসি। বল দখলের লড়াইয়ে তাকে অনাহূত বাজে ট্যাকল করেন চিলির ডিফেন্ডার গ্যারি মেদেল। অথচ সরাসরি খুদে জাদুকরকে লালকার্ড দেন রেফারি। পরে ভিএআর প্রযুক্তিতে ঘটনা যাচাই করে সেই রক্ষণসেনাকেও বহিষ্কার করেন তিনি। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণ ধরে উভয় দলের মধ্যে চলে কথা কাটাকাটি।

এ নিয়ে প্রায় ১৪ বছর পর লালকার্ড দেখলেন মেসি, ক্যারিয়ারে যা দ্বিতীয়। আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচে (২০০৫ সালে) প্রথম লালকার্ড দেখেন তিনি। সেবারের মতো এবারও ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছেন ফুটবলের বরপুত্র। ফলে দুদলই পরিণত হয় ১০ জনে। শেষতক সার্জিও আগুয়েরো ও পাওলো দিবালার গোলে ২-১ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা। চিলিয়ানদের হয়ে গোলটি করেন আর্তুরো ভিদাল।

পর পর দুই ম্যাচে রেফারির অনাচারের বলির পাঁঠা হলেন মেসি ও তার দল। সেলেকাওদের বিপক্ষে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারলেও এদিন পারেননি তিনি। ম্যাচ অফিসিয়ালদের কু সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে খেলা শেষে ড্রেসিংরুম থেকে বের হননি ছোট ম্যাজিসিয়ান। নিজেকে বন্দি রাখেন লকার রুমেই। সতীর্থরা তৃতীয় হওয়ার পুরস্কার নিলেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনি।

প্রাথমিকভাবে এর কারণ সাংবাদকর্মীদের কাছে বোধগম্য হয়নি। অবশ্য পরে খোদ নিজেই তাদের সামনে মুখ খোলেন তিনি। ব্রাজিল ম্যাচের মতো মুখে কুলুপ এঁটে থাকেননি। মূলত বাজে রেফারিংয়ের প্রতিবাদস্বরূপ পুরস্কার নিতে বের হননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

মেসি বলেন, আমরা এমন দুর্নীতির অংশ হতে চাই না। টুর্নামেন্টজুড়ে রেফারিং ছিল অত্যন্ত বাজে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও আমি এখনই দেখতে পাচ্ছি এবারের শিরোপা জিতবে ব্রাজিল। কারণ ফাইনালে রেফারি কিংবা ভিএআরের কিছুই করার থাকবে না। সবই থাকবে স্বাগতিকদের অনুকূলে।

এই বিভাগের আরো খবর