শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৩ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ সোমালিয়ায় হোটেলে জঙ্গি হামলায় সাংবাদিকসহ নিহত ৭ জামালপুরে ‘মাথা নেওয়ার গুজবে’ যুবক গ্রেপ্তার সিলেট–সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আসামে বন্যায় আক্রান্ত ৮ লাখ মানুষ, নিহত ৬ কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ২
৭২

নববর্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০১৯  

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে নিরাপত্তা বলয় থাকবে।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি কোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা করে তাহলে তাদেরকে প্রতিহিত করা হবে। পহেলা বৈশাখে নগরীতে কারো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে উন্মুক্ত স্থানে সন্ধ্যা ৬টার পর কোন ধরনের অনুষ্ঠান করা যাবে না।  

তিনি বলেন, যে কোনো ধরনের নাশকতা যাতে সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিহত করা যায় সেজন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তাছাড়া ঢাকার অধিকাংশ এলাকায় পুলিশের নজরদারিতে থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবারের পহেলা বৈশাখ নগরবাসী নিরবচ্ছিন্নভাবে পালন করতে পারবে। এজন্য সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কমিশনার আরো বলেন, রাজধানীর রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, হাতিরঝিল, গুলশান পার্ক, রবীন্দ্র সরোবর ও বাহাদুরশাহ পার্কসহ প্রত্যেক উৎসবের স্থলে সিসি ক্যামেরা থাকবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে আশেপাশের সড়কে যান চলাচল। 

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শতাধিক মাইক ব্যবহার করে কমান্ড সেন্টারের ব্যবস্থা থাকবে। ছিনতাই ও ইভটিজিং প্রতিরোধে বিশেষ টিম থাকবে। রাখা হয়েছে ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কের লেকে ডুবুরি দল থাকবে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তারা ব্যবস্থা নেবে।

কমিশনার বলেন, বৈশাখের অনুষ্ঠানস্থালে প্রবেশের ক্ষেত্রে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে প্রবেশ করানো হবে। অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে থাকবে ওয়াচ টাওয়ার। যেখান থেকে ‘বাইনোকুলার’ দিয়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করবে পুলিশ। প্রস্তুত থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডিবি ও সিটিটিসি’র সদস্যরা। 

তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ’ কেন্দ্রিক সব অনুষ্ঠানস্থল থাকবে ধুমপান মুক্ত। এছাড়াও ইভটিজিং প্রতিরোধে কাজ করবে বিশেষ টিম। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ধুমপায়ী ও ইভটিজারদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, আটটি স্থান থেকে জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করবে।

‘মঙ্গল শোভাযাত্রার’ নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারো একই রুটে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে। শোভাযাত্রার পুরো রুট থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতায়। সোয়াট, ডিবি, ইউনিফর্মে থাকা পুলিশ দিয়ে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রায়’বেষ্টনি করা হবে। পথিমধ্যে কাউকে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ঢুকতে দেয়া হবে না। মুখোশ মুখে পড়া যাবে না। তবে হাতে রাখা যাবে। কোনো প্রকার বাণিজ্যিক ব্যানার নিয়ে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রায়’ প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। প্রত্যেককে তল্লাশি করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রায়’ অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে।


 
কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানস্থলে কোনো প্রকার ব্যাগপ্যাক, ট্রলি ব্যাগ, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, হ্যান্ড ব্যাগ, ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র, দাহ্য পদার্থ, ব্লেড, নেল কাটার সঙ্গে নিয়ে আসা যাবে না। তবে মহিলারা ছোট হ্যান্ডপার্স নিয়ে আসতে পারবেন। বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করে সবাইকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই বিভাগের আরো খবর