শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৭ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
২৪ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ দু’চার দিনের মধ্যে ওষুধ আসছে : কাদের ‘ডেঙ্গু নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকার ব্যর্থ’ ক্ষমা চাইলেন মেয়র আতিকুল রাজধানীর ২৪ হাটে পশু বেচাকেনা শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৫৩ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্ধ ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার দেশের চতূর্থ মানব রোবট তৈরি করলো কুবি শিক্ষার্থীরা
১৩৪

তাড়াশে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড না থাকায় সীমাহীন যানজট, দুর্ভোগ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০১৯  

নির্দিষ্ট যানবাহন রাখার কোন বৈধ স্ট্যান্ড না থাকায় তাড়াশ পৌর শহর এখন যানজটের শহরে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের সীমাহীন যানজটের কারণে যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিনিয়ত যানবাহন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাড়ছে দু:সহ যানজট ও মানুষের চরম দুর্ভোগ।
জানা গেছে, বর্তমানে তাড়াশ পৌর শহরে প্রায় ১শত ভ্যান-রিক্সা, ২শত সিএনজি, ৩শত মোটরসাইকেল, ৪শত ব্যাটারী চালিত অটো অটোরিক্সাসহ বাস-ট্রাক ও ট্রাক্টর রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ যানবাহন রাখার জন্য শহরে নেই কোন টার্মিনাল। পৌর কর্তৃপক্ষ শহরে যানবাহন অবস্থানের জন্য কোন স্ট্যান্ড তৈরি করতে পারেনি। এ কারণে সারা শহর জুড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল করায় সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট।
শহরে চৌ-রাস্তার আলেপ মোড় থেকে দু’টি রাস্তা বাজারের দু’পার্শ্বে, ১টি থানার দিক হয়ে মহিষলুটি ও অন্যটি পশ্চিম দিকে ওয়াবদা বাঁধ হয়ে চলে গেছে। যার ফলে চারটি রাস্তার গণপরিবহন ও মানুষ চলাচলের একটি মিলন স্থল। এর কারণেই এখানে প্রায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। পার্কিং এর ফলে কখনো দীর্ঘ সময় চৌ-রাস্তার আলেপ মোড়ে একটানা জ্যাম চলতে থাকায় পথচারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। এ থেকে নিস্তার লাভের একমাত্র উপায় হলো একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড। অপর দিকে তাড়াশ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের পাশেই গড়ে উঠেছে সি এন জি স্ট্যান্ড। যেখানে ভাল রাস্তার উপর সিএনজি রাখায় জনগনের ও গাড়ী নিয়ে চলাচল করতে হয় পিচ,পাথর ওঠা ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে। আবার হাসপাতাল গেটের সামনে গড়ে উঠেছে ভ্যান গেরেজ।
তাড়াশ উপজেলার জনগনের একমাত্র কর্মস্থল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, অফিসের কাজ কর্মের জন্য তাড়াশ পৌরসভা মুখি হতে অটোভ্যান, অটোরিক্সা যোগে পৌর শহরে আসতে হয়। এছাড়াও এ সকল রাস্তা দিয়ে তাড়াশ বালিকা বিদ্যালয়, তাড়াশ ইসলামিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, তাড়াশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করে। কিন্তু প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসার পথে যানজটে পরে বিপাকে পরতে হয় তাদের।
ভুক্তভোগী পৌর বাসিন্দা রোকসানা খাতুন, আব্দুল লতিফ,আবুল কালাম, ভাদাস গ্রামের শাহ্ আলমসহ অনেকেই অভিযোগ করে জানান, তাড়াশ পৌরসভা এলাকায় অটোভ্যান, অটোরিক্সা’র নির্দিষ্ট কোন ষ্ট্যান্ড না থাকায় যানজট লেগে জনগন প্রতিদিন দুর্ভোগে শিকার হচ্ছেন। যানজট নিরেসনে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্দিষ্ট কোন ষ্ট্যান্ড না থাকায় প্রতি মোড়ে মোড়ে অবস্থান করে ওই সকল যানবাহন। আমরা বিশেষ বিশেষ দিন যেমন দুই ঈদে পুঁজায় পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ দিয়ে যানজটের নিরসনের চেষ্টা করি। গাড়ি চালকরা নিজেরা যদি একটু সচেতন হয়ে গাড়ি চালায় তাহলে কিছুৃ হলেও যানজট কমবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও তাড়াশ পৌর প্রশাসক ওবাইদুল্লা বলেন, নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্মানের জন্য পৌরসভার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু স্ট্যান্ড করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ জমি পৌরসভার নেই।

এই বিভাগের আরো খবর