ব্রেকিং:
ক্রিকেটারদের এ আন্দোলন কারোর বিরুদ্ধে নয়, এ আন্দোলন দাবি আদায়ের : ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
দুই সাংসদসহ ২২ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আবরারের রুমমেট মিজান ৫ দিনের রিমান্ডে ফিটনেস নবায়নহীন যানবাহনে তেল নয়: হাইকোর্ট ফেনীর চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যার রায় কাল ন্যাম সম্মেলন : প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন জয়পুরহাটে গৃহবধু ধর্ষণ ও হত্যায় সাতজনের ফাঁসি
১৮৬

ডেঙ্গু সচেতনতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওরিয়েন্টেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট ২০১৯  

ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে সাধারণ জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার উদ্যোগে গতকাল সোমবার এম আই এস অডিটোরিয়ামে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য এক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ সানিয়া তহমিনা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু, ডাঃ এম এম আকতারুজ্জামান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিটতত্ত্ববিদ ডাঃ ভুপেন্দর নাগপাল ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তথ্যভিত্তিক কারিগরি বিষয়াদি উপস্থাপন করেন। 


উপস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারে অবশ্য করনীয় হলো বাহক এডিস মশার নিয়ন্ত্রণ ও প্রজননস্থল ধ্বংস যার জন্য জনসাধারনের অংশগ্রহণ সর্বাগ্রে প্রয়োজন। এডিস মশা ঘরের কোনায়, অন্ধকার আর্দ্রতাপূর্ণ জায়গায় যেমন পর্দার পেছনে, খাট ও টেবিল চেয়ারের নিচে থাকতে পছন্দ করে।


এডিস মশা খুব অল্প পানিতে (৫ মিলি বা ১ চা চামচ পানি) ডিম পাড়ে যা পানি ছাড়াও প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। 
লার্ভা ধ্বংসে টেমিফস ১গ্রাম/১০লিটার পানিতে খুব কার্যকরী, যা ব্যবহার পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।  নির্মানাধীন ভবনের প্রজননস্থল ধ্বংস করে ৪০% পর্যন্ত রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব।


অনুষ্ঠানে জানানো হয় ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ইতিমধ্যে সব জেলা ও উপজেলা হাসপাতালসমূহে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু কীট ও ঔষধ ক্রয়ের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে নিজ নিজ বাসভবন ও কর্মস্থলে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ জনগণের করনীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসংক্রান্ত বিষয়গুলো সাধারণ জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেবার জন্য ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের অনুরোধ জানানো হয়।


 

এই বিভাগের আরো খবর