বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯   বৈশাখ ১০ ১৪২৬   ১৮ শা'বান ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
শ্রীলংকায় কারফিউ সতর্ক অবস্থায় সারাদেশে পুলিশ শিগগিরই ৭ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ ক্রীড়ায় মেয়েরা সম্মান ও গৌরব বয়ে আনছে: স্পিকার শ্রীলঙ্কায় রক্তবন্যা: নিহত বেড়ে ২০৭ শ্রীলংকায় বোমা হামলার ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের শোক সৌদি আরবে জঙ্গি হামলা, নিহত ৪ শ্রীলঙ্কায় নিরাপদে আছেন বাংলাদেশিরা মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী আজ যেভাবে এলো পবিত্র শবে বরাত ব্রুনাইয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
৮২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক ৪

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০১৯  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাব ক্যাম্পের অভিযানে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূলহোতাসহ ৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র‌্যাব জানায়, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় নওগাঁ জেলার পোরশা থানার হাটখোলা বাজার এলাকায় কিছু মোটরসাইকেল ছিনতাই ও চুরি চক্রের মূলহোতা চোরাইমোটর সাইকেলসহ অবস্থান করছে। তথ্য নিশ্চিত হবার পর র‌্যাব-৫, রাজশাহী সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ সাঈদ আব্দুল্লাহ আল মুরাদের নেতৃত্বে শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৪ টার দিকে সে এলাকায় অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে চোর চক্রের মূলহোতাসহ ৪ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা শিবগঞ্জ কালুপুর বেইলিব্রিজ এলাকার টিপু সুলতানের ছেলে সুমন রেজা (৩৩), দাড়িগাছি বারিক বাজারের হুমায়ন কবিরের ছেলে ইলিয়াস (২৫), চাঁদপুর মধ্যপাড়ার মৃত মোস্তফার ছেলে আহসান (৩০) ও সাহেবনগর শান্তিমোড়ের শ্রী রঞ্জিতের ছেলে শ্রী সজিব (২১)। এসময় সকল প্রকার মোটরসাইকেলের লক খোলার মাস্টার চাবী ২ টি, চোরাই মোটরসাইকেল ৬টি, মোবাইল ফোন ৩টি, সিমকার্ড ৫টি ও নগদ ৫৫১ টাকাও উদ্ধার করা হয়। 
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন স্বীকার করে, সে পোরসা হতে ধৃত চক্রের অন্যতম মূলহোতা মনিরুল ও অন্যান্য সদস্যদের সমন্বয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার পোরসা এলাকা হতে সকল প্রকার মোটরসাইকেলের লক খোলার বিশেষ মাষ্টার চাবি এর মাধ্যমে প্রায় ২০০ অধিক মোটরসাইকেল ছিনতাই ও চুরি করেছে এবং চোরাই ও ছিনতাইকৃত মোটর সাইকেলস চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পোরসায় হাতবদল করে বিক্রি করে আসছে। 
সুমন পোরসা হতে মোটরসাইকেল চুরি করে এবং তা সজিবের মাধ্যমে তার গ্যারেজে মোটরসাইকেলের পার্টস ও অন্যান্য অংশ পরিবর্তন করে ইলিয়াছ ও ইলিয়াছের শ্বশুর দুরুল (মূলহোতা ও পরিকল্পনাকারী) এবং আহসানসহ আরও অনেকের নিকট হস্তান্তর করে বিক্রি করে আসছে। সুমন ইতোপূর্বে ৫/৬ বার মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং প্রতিবার জামিনে এসে আবারও তার কার্যক্রম সক্রিয়ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি চোরাই/ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেলের জন্য সে ২০ থেকে ৩০ হাজার করে টাকা পায়। গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা সকলে মোটরসাইকেল ছিনতাই ও চুরির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার কথা স্বেচ্ছায় স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গস্খহণ করা হযেছে।
 

এই বিভাগের আরো খবর