মঙ্গলবার   ২১ মে ২০১৯   জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৬   ১৬ রমজান ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন রুমিন ফারহানা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের আন্দোলন স্থগিত অভিমান থেকে পদত্যাগের কথা বলেছিলাম: গোলাম রাব্বানী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী শাওনের আত্মহত্যা হাতে বালিশ নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ কাজের গতি বাড়াতে মন্ত্রিসভায় পুনর্বিন্যাস : সেতুমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ব্রাজিলে বন্দুক হামলায় ১১ জন নিহত বুথফেরত জরিপ বিশ্বাস করি না: মমতা বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহায়তা অব্যাহত থাকবে
৬৩

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মৃত্যু ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর ২০১৮  

হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে। সেখানে লেখা আছে এ ওয়ার্ডের ছাঁদ ভেঙ্গে পড়তেছে, এখানে থাকলে নিজ দায়িত্বে থাকবেন। তারপরও নিজ নিজ দায়িত্বে রোগীরা সেখানে থাকছেন। নিচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক ও নার্সরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ হাসপাতালে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া চিকিৎসক সংকটে গত ৭ মাস ধরে এ হাসপাতালে অপারেশন বন্ধ রয়েছে।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে এ অবস্থা বিরাজ করছে দীর্ঘ দিন যাবত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার সাড়ে ৩ লাখ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে ৪০ বছর আগে ৩১ বেডের এ হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়। হাসপাতাল ভবনটি এখন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দ্বিতীয় তলা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখানে ছাদের পলেস্তারা, ঢালাই, ভিমের ঢালাই খসে পড়ছে। ছাদের রড বেরিয়ে গেছে। অনেক সময় পলেস্তারা খসে পড়ে প্রতি নিয়ত রোগী, নার্স ও চিকিৎসকরা আহত হচ্ছেন। এ কারণে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে সতর্কতা নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র আরো জানিয়েছে, ৩১ বেডের এ হাসপাতালটিকে ৫০ বেড করা হয়েছে। কিন্তু এখানে জনবল রয়েছে ৩১ বেডের। ২২ জন চিকিৎসকের স্থলে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৯ জন চিকিৎসক। গত ৭ মাস ধরে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। এ কারণে বন্ধ রয়েছে অপারেশন।

কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, প্রকৌশল বিভাগ অনেক আগেই এ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। আমরা এখানে রোগী রাখতে চাই না। রোগীরা জোর করে এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নেন। তাই আমরাও সতর্কতা মূলক নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছি। ৩ মাসের মধ্যে হাসপতালের এ ভবন ভেঙে নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এখানে চিকিৎসক সংকট প্রকট। ৭ মাস ধরে হাসপাতালে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। তাই অপারেশন বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক সংকটের মধ্যেও প্রতিদিন ৩/৪ শ রোগীকে আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

এই বিভাগের আরো খবর