ব্রেকিং:
ক্রিকেটারদের এ আন্দোলন কারোর বিরুদ্ধে নয়, এ আন্দোলন দাবি আদায়ের : ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান

বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
দুই সাংসদসহ ২২ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আবরারের রুমমেট মিজান ৫ দিনের রিমান্ডে ফিটনেস নবায়নহীন যানবাহনে তেল নয়: হাইকোর্ট ফেনীর চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যার রায় কাল ন্যাম সম্মেলন : প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার আজারবাইজান যাচ্ছেন জয়পুরহাটে গৃহবধু ধর্ষণ ও হত্যায় সাতজনের ফাঁসি
১৮৭

গুজব নয়, আকাশ থেকে ঝরে পড়ে লাখ লাখ মাছ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

সে দেশে আকাশ থেকে লাখ লাখ মাছ ঝরে পড়ে বৃষ্টির মতো। রাস্তা-ঘাটে, বাড়ির সামনে, ছাদে পড়ে থাকে লাখ লাখ মাছ! জানা গেছে, প্রতি বছরই এ ধরনের ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকেন মধ্য আমেরিকার হন্ডুরাসের বাসিন্দারা।

প্রতি বছরের মে মাস থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এ ধরনের ‘মাছ বৃষ্টি’ হন্ডুরাসের বিভিন্ন জায়গায় হয়ে থাকে। স্থানীয়রা ওই ঘটনাকে বলেন ‘জুভিয়া দে পেতেস’। স্প্যানিশ এই শব্দের অর্থ হলো ‘মাছের বৃষ্টি’। 

আকাশ থেকে ঝরে পড়তে থাকে মাছ, ব্যাঙসহ নানা জলজ প্রাণী। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই সময় রীতিমতো লোক নামিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার করাতে হয়।

ওই অঞ্চলের বহু মানুষের বিশ্বাস, এক দেবতার আশীর্বাদে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে খ্রিস্টান যাজক হোসে সুবিরানা হন্ডুরাসে যান। ওই সময় হন্ডুরাসের বেশিরভাগ মানুষ অত্যন্ত অনটন আর দারিদ্রের মধ্যে দিন কাটাতেন। তাদের দুর্দশা দূর করার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। 

হোসে সুবিরানার প্রার্থণার পর থেকেই দারিদ্রের কষ্ট দূর করতে সৃষ্টিকর্তা আকাশ থেকে ‘মাছের বৃষ্টি’ দেন বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন ওই অঞ্চলের মানুষজন।

১৯৭০ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ দল পাঠানো হয় হন্ডুরাসে। ওই দলের সদস্যরা ‘মাছের বৃষ্টি’র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ওই সদস্যরা জানান, ওই অঞ্চলে আকাশ থেকে যে সব মাছের বৃষ্টি হয়, তা কোনো সমুদ্রিক মাছ নয়। সেগুলো মিষ্টি পানির মাছ।

আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়া মাছগুলো কোনো নদী, পুকুর বা হ্রদের মতো মিষ্টি পানির জলাশয়ের মাছ। শুধু তাই নয় বেশির ভাগ মাছই প্রায় একই প্রজাতির। যদিও ১৯৭০ সালে হন্ডুরাসে ‘মাছের বৃষ্টি’র সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সদস্যদল পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।

যে এলাকায় প্রতি বছর একবার বা দুইবার মাছের বৃষ্টি হয়, আটলান্টিক মহাসাগর তার থেকে প্রায় দু’শ কিলোমিটার দূরে। অনেকে মনে করেন, টর্নেডো বা সামুদ্রিক ঝড় আটলান্টিক মহাসাগরের বিভিন্ন অংশের মাছ উড়িয়ে এনে এই অঞ্চলে ফেলে। কিন্তু এমন ঘটনা প্রতি বছর কীভাবে সম্ভব, সে ব্যাপারে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর