বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন মঙ্গলবার দাবি না মানলে বিদ্যালয়ে তালা লাগাবে প্রাথমিকের শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন রোববার লাকসামে কিশোর গ্যাং এর ৬ সদস্য গ্রেফতার খাল উদ্ধারের পর চালু হবে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট : তাজুল ইসলাম ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ এখন ঢাকায় শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় ৫০০ মডেল মসজিদ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন ডিএমপি কমিশনারের শ্রদ্ধা
৩৭

কুবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ

কুবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে দুই দফায় এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

জানা যায়, সোমবার কুমিল্লা শহর থেকে ক্যাম্পাস অভিমুখী রাত ৮টার বাসে ওঠার জন্য শিক্ষার্থীরা বাসের সামনে ভিড় করে। এসময় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থী জিলান আল সাদ ঈশান ভিড় ঠেলে আগে বাসে উঠতে গেলে কাজী নজরুল ইসলাম হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক শিপন তা ওপর চড়াও হয়। তাকে চর মারেন।

পরে শিপন বাসে উঠে জিলানীকে মারধর করে। বাসের মধ্যে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে থামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে রাত ৯টার দিকে বাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে এসে থামলে তারা শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদের সামনেই সেখানে উপস্থিত শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল এবং কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এমন ঘটনা ঘটলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ফোর্স তৎক্ষনাৎ উপস্থিত হলেও ছাত্রদের নিজস্ব বিষয় বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। ঘটনা চলাকালে তাকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। তারা নিজেরাই সমাধান করে নেবে। আমি ছাত্রনেতাদের বলেছি, তারা বসে বিষয়টি মীমাংসা করবে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, রাত ৮টার বাসে একই ব্যাচের দুই বন্ধুর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে আমরা তাদের নিয়ে বসে মীমাংসা করে দেই।

প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, আমি শুনেছি দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতারা তাদের নিয়ে বসেছিল। ছাত্ররা বিষয়টি মীমাংসা করে ফেললে আমাদের কিছু করার নাই। তবে মীমাংসা না হলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

এই বিভাগের আরো খবর