বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৩ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন মঙ্গলবার দাবি না মানলে বিদ্যালয়ে তালা লাগাবে প্রাথমিকের শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন রোববার লাকসামে কিশোর গ্যাং এর ৬ সদস্য গ্রেফতার খাল উদ্ধারের পর চালু হবে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট : তাজুল ইসলাম ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ এখন ঢাকায় শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় ৫০০ মডেল মসজিদ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন ডিএমপি কমিশনারের শ্রদ্ধা
৯০

ওসি মোয়াজ্জেম কোথায়?

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯  

ফেনীর সোনাগাজী থানার প্রাক্তন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এখন কোথায়, তা জানাতে পারছেন না কেউ। সর্বশেষ তিনি রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত হলেও সেখানে তিনি নেই। তিনি ঢাকায় আছেন, এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি দল তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার ফেনীর সোনাগাজী সার্কেলের এএসপি শফিকুল আহমেদ ভুঁইয়া রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তারে একটি টিম এখন ঢাকায় কাজ করছে। তিনি ঢাকাতেই অবস্থান করছেন বলে তথ্য আছে।’

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ওসি মোয়াজ্জেমকে এখন যেকোনো এলাকার পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে। এমনকি সাধারণ মানুষও তাকে ধরে পুলিশে দিতে পারেন। ১৭ মে পিবিআইর দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। মে মাসেই বিভাগীয় তদন্ত ও মামলার কাজের কথা বলে ঢাকায় চলে আসেন ওসি মোয়াজ্জেম। সেই থেকে তিনি অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এর মধ্যে নিজের যশোর সদরের চাঁচড়া এলাকার বাড়িতেও যাননি তিনি। তাকে খুঁজে বের করতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। খুব শিগগির তিনি ধরা পড়তে পারেন।

গত ২৭ মার্চ নিজ কক্ষে ডেকে নুসরাত জাহান রাফির শ্লীলতাহানি করেন সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা। পরে রাফি সোনাগাজী থানায় যায়। তার জবানবন্দি মোবাইল ফোনে ধারণ করে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অভিযোগে ওসি মোযাজ্জেমের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা হয়। মামলায় তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় নুসরাত জাহান ওরফে রাফিকে গত ৬ এপ্রিল গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ১০ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ ও পিবিআই এ মামলায় ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এই বিভাগের আরো খবর