বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯   বৈশাখ ১০ ১৪২৬   ১৮ শা'বান ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
শ্রীলংকায় কারফিউ সতর্ক অবস্থায় সারাদেশে পুলিশ শিগগিরই ৭ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ ক্রীড়ায় মেয়েরা সম্মান ও গৌরব বয়ে আনছে: স্পিকার শ্রীলঙ্কায় রক্তবন্যা: নিহত বেড়ে ২০৭ শ্রীলংকায় বোমা হামলার ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের শোক সৌদি আরবে জঙ্গি হামলা, নিহত ৪ শ্রীলঙ্কায় নিরাপদে আছেন বাংলাদেশিরা মহিমান্বিত ভাগ্য রজনী আজ যেভাবে এলো পবিত্র শবে বরাত ব্রুনাইয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা
৪৭

এনবিআরের সফটওয়্যারে ভয়ঙ্কর জালিয়াতি

প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০১৯  

দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়। অথচ শুল্ক পরিশোধ ও পণ্য খালাস কিংবা কী পরিমাণ পণ্য বন্দরে আছে তার হিসাব মিলিয়ে দেখার সমন্বিত কোন ব্যবস্থা নেই বন্দর ও কাস্টমসগুলোর। এই সমন্বয়হীনতা এবং শুল্কায়ন ব্যবস্থার দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েই একটি চক্র শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য পাচার করছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।


 তবে সিস্টেমে কোন ক্রটি আছে কিনা তা নিরীক্ষা করা হবে বলে জানায় এনবিআর'। পণ্য আমদানির পর শুল্ক নির্ধারণ করা হয় এনবিআরের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম বা সফটওয়্যারে। এ জন্য প্রত্যেক কাস্টমস কর্মকর্তার থাকে পৃথক আইডি। নিয়ম অনুযায়ী কোন কর্মকর্তা অবসর নিলে বা বদলি হলে তার আইডি অকার্যকর করে দেয়ার কথা আইটি বিভাগের।

অথচ ২০১৫ তে অবসর নেয়া ও বদলি হওয়া দুই কর্মকর্তার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করা হয়েছে ২২ কনটেইনার পণ্য।

শুধু তাই নয় তিন বছরে ওই দুই আইডি থেকে ৩ হাজার ৭৭৭ বার লগইন করা হলেও তা টের পায়নি কর্তৃপক্ষ। এভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কত পণ্য পাচার হয়েছে সেটারও নেই সঠিক হিসাব।

এজন্য সিস্টেমের দুর্বলতা, আইটি শাখার গাফিলতি আর বন্দর ও কাস্টম হাউসের মধ্যে সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন বলেন, টেকনিক্যাল টিমের দায়িত্ব ছিল এগুলো দেখা। তারা সেটা করেনি। টেকনিক্যাল টিমের যারা আছে তাদের দায়িত্ব ও যোগ্যতা খতিয়ে দেখা দরকার। বন্দরের সাথে কাস্টমসের সমন্বয় হচ্ছে কিনা সেটিও দেখা দরকার।

শুল্ক গোয়েন্দার তদন্তে দেখা গেছে, এর সঙ্গে জড়িত চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টম হাউসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও বার্থ অপরেটরের লোকজন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল হাকিম বলেন, আমরা দেখেছি যে, সিএন্ডএফ এজেন্ট ৭টি প্রতিষ্ঠান জড়িত। আর আমদানীকারক ১৪ জন। আমাদের কর্মকর্তা সেখানে আছেন, দ্রুত কাজ এগোচ্ছে। খুব শীঘ্রই প্রতিবেদন দিতে পারবো।

এই অবস্থায় অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে কোন ক্রটি আছে কিনা তা নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানালেন শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় এনবিআর'র গঠন করা চারটি তদন্ত কমিটির একটিও প্রতিবেদন জমা দেয়নি। এ ঘটনায় কারাগারে আছেন পণ্য চালান ছাড়ে কাস্টম কর্মকর্তার জাল চিঠির বাহক দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী সোহরাব হোসেন।

অপর আসামি সিএন্ডএফ এজেন্ট মিজানুর রহমান রয়েছেন জামিনে। আর সন্দেহভাজন বাকিরা আছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এই বিভাগের আরো খবর