ব্রেকিং:
একে একে ১৩টি কফিন নিলো পরিবার তাপমাত্রা একদফা কমে বিদায় নেবে শীত

শনিবার   ২৩ মার্চ ২০১৯   চৈত্র ৮ ১৪২৫   ১৫ রজব ১৪৪০

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
সর্বশেষ:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই মেক্সিকোতে জ্বালানি পাইপলাইনে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ স্বাস্থ্যখাতের মাফিয়া ডন মিঠু! সংরক্ষিত মহিলা আসনে লাকসামের রিনা আলম আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অনিয়মে শাস্তি পেল ৩৭ হজ এজেন্সি প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতাদের নামে ফেসবুক খুলে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ ২৭ জানুয়ারি থেকে মোবাইল ফোনের সাত দিনের নিচের সব প্যাকেজ বন্ধ
১৭

আমি রাজনীতি করলেও মাথায় ঘুরে বিজনেস : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

 ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ব্যবসার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে কোনো বাধা রাখতে চান না বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, আমি রাজনীতি করলেও বিজনেসতো মাথার মধ্যে ঘুরে।

বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব এশিয়ান রাষ্ট্রদূত রিনা প্রিসিয়াস মিয়াজি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি। আমরা ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করি অনেক বেশি, কিন্তু রফতানি করতে পারি না।’

‘ইন্দোনেয়ায় ২৬ কোটি লোক আছে। ওরাতো আমদের দেশে রফতানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরাও চাই আমাদের রফতানিটা বাড়ুক। কয়েকটা পণ্যের কথা উনি (রিনা প্রিসিয়াস মিয়াজি) বলেছেন, যেগুলো আমরা এক্সপোর্ট করতে পারি। সেগুলো হচ্ছে- ওষুধ, পাটপণ্য। আমরাও দেখছি আরও কী কী পণ্য রফতানি করতে পারি।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশে অন অ্যারাইভাল বা ল্যান্ডিং ভিসা চায় ইন্দোনেশিয়া। তারা আমাদের এ ভিসা দিয়ে থাকে, কিন্তু আমরা দিচ্ছি না। এ বিষয়টি সহজ করে দেয়ার জন্য আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।’

তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আসতে চাইলেও ভিসা পেতে সমস্যা হয়। ল্যান্ডিং ভিসা যদি হয়ে যায় তাহলেতো আর সমস্যাই রইল না। সবার জন্যই ল্যান্ডিং ভিসা হয়ে যাবে। এটা হতে দেরি হলেও ব্যবসায়ীদের ভিসার ব্যাপারটি দ্রুত সহজ করা হবে। ওরাও চায় আমরাও চাই দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ুক।’

‘প্রি-ফ্রিফেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তি যদি হয়, তাহলে আমাদের তৈরি পোশাকও ইন্দোনেশিয়াতে ঢুকতে পারবে। কারণ, এখন ইন্দোনেশিয়ায় তৈরি পোশাক ঢুকতে শুল্ক একটা বড় বাধা। তাদের নিজস্ব যাই পণ্য থাকনা কেন, আমাদের তৈরি পোশাক সেদেশে প্রতিযোগিতা করে টিকতে পারবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য দুই দেশকেই ওপেন হতে হবে। আমি বাণিজ্যকে আরও সহজ, ওপেন ও হ্যাসেলমুক্ত করতে চাই। আমি একদিকে বাণিজ্য ওপেন করার কথা বলব, আর মানুষ আসা-যাওয়া করতে ভিসায় সমস্যা হবে- এটা হতে দেয়া যাবে না। ব্যবসার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে কোনো বাধা রাখতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া আমাদের দেশে বিনিয়োগও করতে চায়। তারা আমাদের দেশে ১২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চায়। তবে এ ক্ষেত্রে ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বড় বাধা। সারাবিশ্বে এ সূচক আমাাদের খুব ভালো নয়। সেটা একটা প্রশ্ন রয়েছে। এটাও আমরা কাটাতে চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে আমরা ব্যবসা বাড়াতে পারব। ব্যবসা বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমি নিজেও অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। ২৬ কোটি মানুষের একটা দেশ। যেকোনো পণ্য তাদের বাজারে চালু করতে পারলেই ১ নম্বর হবে সেটা। চেষ্টা করতেতো সমস্যা নেই।’

এই বিভাগের আরো খবর