সোমবার   ০৩ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৭   ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

তরুণ কণ্ঠ|Torunkantho
৭৩

অর্থ বিভাগের পরামর্শ ছাড়া নতুন প্রকল্পে বরাদ্দ নয়

তরুণ কণ্ঠ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২০  

বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে থমকে গেছে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। এর থাবায় রাজস্ব আহরণেও বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিপরীতে ব্যয় বেড়েছে সরকারের। ফলে সরকার ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অর্থ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া সরকারি অর্থায়নে নতুন কোনো প্রকল্পে বরাদ্দ না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি পরিকল্পনা কমিশনের অনুকূলে ‘বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে সরকারি অর্থায়ন বা জিওবি বাবদ সংরক্ষিত ৫০০ কোটি টাকা থেকে বরাদ্দ না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। গত ২৬ জুলাই পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে অর্থ বিভাগ। চিঠির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সব মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুকূলে ‘অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের জন্য থোক’ হিসেবে চলতি বাজেটে রাখা হয়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। দুই খাতে মোট সংরক্ষিত রয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়, অর্থ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতীত চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পরিকল্পনা কমিশনের অনুকূলে ‘বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে সরকারি অর্থায়ন বা জিওবি বাবদ সংরক্ষিত ৫০০ কোটি টাকা থেকে বরাদ্দ দেয়া যাবে না। পাশাপাশি অর্থ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুকূলে ‘অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের জন্য থোক হিসেবে সংরক্ষিত জিওবির সম্পূর্ণ অংশ থেকে বরাদ্দ না দেয়ার জন্য নির্দেশ ক্রমে অনুরোধ জানানো হলো।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, “পরিকল্পনা কমিশনের অনুকূলে ‘বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা’ খাতে জিওবি বাবদ ৫০০ কোটি টাকা সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুকূলে ‘অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের জন্য থোক’ হিসেবে জিওবির অংশে পাঁচ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষিত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংরক্ষিত এ টাকা বরাদ্দে নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিত করিনি। এ ক্ষেত্রে বরাদ্দ দেয়ার সময় অর্থ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেছি।’

এই বিভাগের আরো খবর